Friday, November 12, 2021

ফুসফুস ভালো রাখবে ৫ চা

 

শীতে ধুলাবালির প্রকোপ বাড়ে। এ সময় শ্বাসকষ্ট, ব্রংকাইটিস, কাশির সমস্যা অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেশি দেখা দেয় তাই। শীতে সুস্থ থাকতে ডায়েট লিস্টে রাখতে পারেন ৫ ধরনের চা। এসব চা ফুসফুসের শক্তি বাড়াবে ও দূরে রাখবে মৌসুমি ঠান্ডা, কাশি থেকে। পাশাপাশি উন্নত করবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

বিটরুট চাবিটরুট চা

বিটরুট চা
ফুসফুস ভালো রাখতে পান করতে পারেন বিটরুট চা। এতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা লাংসের জন্য উপকারী। ১টি লেবুর রস, ১ চা চামচ আদা কুচি, অর্ধেকটি বিটরুট কুচি ফুটন্ত গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ছেঁকে মধু ও গোলমরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে পান করুন বিটরুট চা।

হলুদ চা
ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজির এক গবেষণা বলছে, নিয়মিত হলুদ মিশ্রিত চা পান করলে ফুসফুস সুস্থ থাকে। ফুটন্ত পানিতে এক চিমটি হলুদ ও গোলমরিচ মিশিয়ে নামিয়ে নিন। ছেঁকে পান করুন মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে।

গ্রিন টি
সুস্থ থাকতে গ্রিন টি নিয়মিত পান করতে পারেন। এতে থাকা বিভিন্ন উপকারী উপাদান ফুসফুস ভালো রাখার পাশাপাশি আপনাকে ঝরঝরে রাখবে দিনভর।  

তুলসি চা
সিজনাল ফ্লু, অ্যালার্জি ও ইনফেকশন থেকে রক্ষা পেতে পান করতে পারেন তুলসি চা। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। নিয়মিত পান করলে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়বে। গরম পানিতে কয়েকটি তুলসি পাতা ও আদা কুচি দিয়ে মিনিট কয়েক ফুটিয়ে নিন। নামিয়ে পান করুন মধু মিশিয়ে।

জিনজার-লেমন টিজিনজার-লেমন টি

জিনজার-লেমন টি
ঠান্ডা, সর্দি ও গলা খুসখুস থেকে রেহাই পেতে জিনজার-লেমন টি অতুলনীয়। এটি শ্বাসনালী ও ফুসফুস পরিষ্কার রাখে। লেবুর স্লাইস ও আদা কুচি দিয়ে পানি ফুটিয়ে ছেঁকে নিন। পান করুন মধু মিশিয়ে।

তথ্য: টাইমস অব ইন্ডিয়া 

যেসব কারণে শীতের সঙ্গী করবেন মধুকে

 

৭০ থেকে ৮০ শতাংশ প্রাকৃতিক চিনি থাকে মধুতে। এছাড়াও আয়রন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম ক্লোরিন, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম মেলে মধু থেকে। আসছে শীতে সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খেতে পারেন মধু।

  • মধুতে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরে থাকা খারাপ ব্যাকটেরিয়াকে বাঁচতে দেয় না। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণুও শরীরের ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। শীতে হুট করে যেন ঠান্ডা লেগে না যায়, সেজন্য নিয়মিত খান মধু।
  • হঠাৎ হাঁচি-কাশির ঝামেলায় মধু কাজ করে চমৎকার।
  • শ্বাসকষ্টের রোগীরা সুস্থ থাকতে মধু খেতে পারেন নিয়মিত।
  • গলা খুসখুস দূর করতে সাহায্য করে মধু।

অন্যান্য উপকারিতা

  • গবেষণা মতে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায় নিয়মিত মধু খেলে।
  • এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্ট ভালো রাখে। 
  • শরীরের দূষিত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে মধু।
  • মেদ দূর করতে সক্ষম মধু।
  • ক্যানসার থেকে দূরে থাকতে মধু খান নিয়মিত।

যেভাবে খাবেন মধু

  • ঠান্ডা-সর্দির সমস্যায় এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করুন।
  • কুসুম গরম পানিতে মধু, লেবুর রস ও এক টুকরো দারুচিনি ফেলে পান করুন। এটি গলা খুসখুস ভাব দূর করবে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।
  • মধু খেতে পারেন চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে।
  • গরম দুধের সঙ্গে মধু খেলেও মিলবে উপকার।
  • মধু সরাসরিও খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।

কোন মসলা কতদিন পর্যন্ত ভালো থাকে?

 

খাবারে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদ এনে দেয় নানা ধরনের মসলা। মসলা নষ্ট হয় না ঠিকই, তবে দীর্ঘদিন রেখে দেওয়ার কারণে বা সঠিক সংরক্ষণের অভাবে এগুলো হারিয়ে ফেলতে পারে রঙ, স্বাদ ও গন্ধ।

  • মসলা দীর্ঘদিন তাজা রাখতে চাইলে আস্ত রেখে দিন। গুঁড়া করে রাখলে তুলনামূলক তাড়াতাড়ি এগুলো হারিয়ে ফেলবে স্বাদ।
  • মসলার বয়াম কখনও চুলার পাশে রাখবেন না। মুখবন্ধ কাচের বয়ামে ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখুন এগুলো।
  • অনেকে ফ্রিজে রেখে দেন মসলার বয়াম। এতে কিন্তু ভালোর চাইতে ক্ষতিই বেশি হয়। ফ্রিজ থেকে বের করার পর দ্রুত ময়েশ্চার জমে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায় মসলা।
  • সিঙ্কের পাশে রাখবেন না মসলার বয়াম।
  • শুকনা ভেষজ ও আস্ত মসলা ১ বছর থেকে ২ বছর পর্যন্ত রেখে খেতে পারবেন।
  • শুকনা মরিচ ১ বছর পর্যন্ত ভালো থাকবে বয়ামে।
  • বীজজাতীয় মসলা ফ্রেশ থাকবে ২ বছর পর্যন্ত।
  • গুঁড়া মসলার স্বাদ ভালো থাকে ১ বছর পর্যন্ত।

Thursday, November 11, 2021

চুলে টাক পড়তে শুরু করেছে?

 

মেয়েরা রাতে ঘুমোতে গেলে প্রায়ই মাথার চুল টেনে বেঁধে নেন৷ মূলত ঘুমানোর সময় এপাশ ওপাশ করতে গিয়ে চুলের অবস্থা বাজে হয়ে ওঠে। তাছাড়া চুলের ডগাগুলো ভেঙে যায়না। এমন বহু উপকারের কথাই আলোচনা করা হয়৷ এখন প্রশ্ন হলো, আসলেই কি উপকার মেলে? 

Hair lossবেশি টেনে বাঁধলে চুলের বিভিন্ন ক্ষতি হতে পারে
চুল বেঁধে ঘুমোতে গেলে অনেক উপকারের কথা থাকলেও কিছু অপকার তো আছেই। বেশি টেনে বাঁধলে চুলের বিভিন্ন ক্ষতি হতে পারে। এইতো কদিন ধরে এসব নিয়ে কথাবার্তা চলছে। হ্যা৷ বেশি জোরে টেনে বাঁধাটা মোটেও ভালো কিছু না। টাক সমস্যার শুরু এই অভ্যাস থেকেই হয়। 

Hair lossচুল খুলে ঘুমোন। তাতে যে অংশে চুল পড়ে গেছে সেখানে আস্তে আস্তে গজাতে শুরু করবে
আপনি হয়তো এই লেখাটি পড়ার সময়েই খেয়াল করবেন যে আপনার মাথার চুল পড়তে শুরু করেছে। এই সময়ে বরং চুল খুলে ঘুমোন। তাতে যে অংশে চুল পড়ে গেছে সেখানে আস্তে আস্তে গজাতে শুরু করবে৷ চুল বেঁধে ঘুমানোর অভ্যাস দূর করে যত্ন নিন চুলের, দেখবেন ফিরে পাচ্ছেন চুলের হারানো সৌন্দর্য।  

শীতের শুরুতে পায়ের যত্নে করণীয়

 

শরীরের যে অঙ্গটিকে সবচেয়ে অবহেলা করা হয় তা হল পা। মুখের বা হাতের ত্বকের যত্নে সবাই যতটা তৎপর, সেই তুলনায় পায়ের ত্বকের পরিচর্যায় সবাই কম সময়ই ব্যয় করেন। কেউ কেউ আবার একেবারেই পায়ের যত্ন নেন না। প্রকৃতিতে শীত পড়তে শুরু করেছে। এই সময় ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই মুখের মতো পায়েরও যত্ন নেওয়া উচিত। এই সময়ে পায়ের যত্নে যা করণীয়-

১. সপ্তাহে একদিন বা দু’দিন বাড়িতেই পেডিকিউর করতে পারেন। গরম পানিতে শ্যাম্পু মিশিয়ে, কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। শ্যাম্পু ছাড়াও মধু মেশাতে পারেন। মধু এই শীতে পায়ের ত্বককে নরম রাখবে।

২. রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই পায়ে ফুট ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার মেখে শুতে ‌যান।

৩. গোসলের পর পায়ে অলিভ অয়েল মাখতে পারেন। এই তেল ত্বকের শুষ্কতা রোধ করে।

৪. শীতকালে অনেকেরই পা ফাটে। গ্লিসারিনের মধ্যে পানি মিশিয়ে পায়ে লাগালে পা ফাটা কমে।

৫.  শীতের সময় বাড়িতে মোজা পরে থাকা উচিত। এতে পায়ের ত্বক কম রুক্ষ হয়।

শীতজনিত অসুখ নিরাময়ে উপকারী যেসব ভিটামিন

 

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

তাপমাত্রা কমলেই বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়ে। এতে ক্ষতিকারক ধূলিকণা শ্বাসযন্ত্রে ঢুকে পড়ে। এ কারণে শীতে এলেই অনেকেরই শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানির সমস্যা বাড়ে। এছাড়া ফুসফুসে দেখা দেয় নানা ধরনের সংক্রমণও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটু সাবধানে থাকলে এবং নিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়া করলে এই ধরনের অসুস্থতার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। তারা বলছেন, এই জাতীয় অসুস্থতা কমাতে পারে বেশ কিছু ভিটামিন। শীতে সুস্থ থাকতে তারা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন এ, ডি ও সি রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, এসব ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার ফুসফুসের কোষকে ক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচায়, শ্বাসকষ্টও কমায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিটামিন-ডি ফুসফুসে সংক্রমণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। যারা 'ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজে' ভোগেন এই শীতে তাদেরও কষ্ট বাড়ে। এই সিওপিডি-র মাত্রা কমাতেও কার্যকরী এই সব ভিটামিন। শরীরে ভিটামিন ডি কমলে ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি ও ফুসফুসের রোগের আশঙ্কা বাড়ে। ভিটামিন ডি'র মূল উৎস সূর্যের আলো। এছাড়াও, টুনা, স্যামন বা এই ধরনের কিছু মাছ ও ডিমের কুসুম খেলে এই ঘাটতি কমানো যেতে পারে।

ভিটামিন সি ফুসফুসে সংক্রমণ কমায়, ক্রনিক ডিজিজ থেকে বাঁচায়। এই ভিটামিন পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। ত্বক ভালো থাকে। সাধারণত ধূমপান বা দূষণের কারণে বিভিন্ন  ধরনের সূক্ষ্ম কণা ফুসফুসে বাসা বাঁধে এবং তা ক্রমে শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করে। ভিটামিন সি এই কণাগুলির ছড়িয়ে পড়ায় বাধা দেয়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল লেবু, পেয়ারা, কমলা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

শীতজনিত অসুস্থতা থেকে শরীরকে রক্ষা করতে ভিটামিন এ-ও জরুরি। এই ভিটামিন ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মাছ, দুধ, ডিম, গাজর, ব্রকোলিসহ একাধিক ফল ও সবজিতে এই ভিটামিন পাওয়া যায়।

বাতাবিলেবুর হাট

বাতাবিলেবু। বেশির ভাগ জায়গাতেই জাম্বুরা নামে পরিচিত। রাঙামাটিতে স্থানীয়ভাবে এটিকে কন্ডাল বলা হয়। জেলার নানিয়ারচর ও সদর উপজেলায় ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ এই ফলের বাণিজ্যিক চাষ হচ্ছে ব্যাপকভাবে। পাহাড়ের ঢাল ও পাহাড়ি ছড়ার পাশের টিলায় এ ফলের ফলন বেশি হয়। বছরে একবার ফলন হয় বাতাবিলেবুর। মার্চ-এপ্রিলে ফলন শুরু।


বাগানি আর ক্রেতা। দামাদামি চলছে দুজনের মধ্যে। সমতা ঘাট, রাঙামাটি
বাগানি আর ক্রেতা। দামাদামি চলছে দুজনের মধ্যে। সমতা ঘাট, রাঙামাটি

শহর থেকে আসা এক ক্রেতাকে ছোট-বড় নমুনা দেখাচ্ছেন দুই বাগানি। সমতা ঘাট, রাঙামাটি
শহর থেকে আসা এক ক্রেতাকে ছোট-বড় নমুনা দেখাচ্ছেন দুই বাগানি। সমতা ঘাট, রাঙামাটি

বাতাবিলেবুর বেচাকেনা শেষে অর্থ লেনদেন করছেন ক্রেতা-বিক্রেতা। সমতা ঘাট, রাঙামাটি
বাতাবিলেবুর বেচাকেনা শেষে অর্থ লেনদেন করছেন ক্রেতা-বিক্রেতা। সমতা ঘাট, রাঙামাটি

ঘাট থেকে বাতাবিলেবু কিনে ট্রলার বোঝাই করে রেখেছেন এক পাইকার। ট্রাক টার্মিনাল ঘাট, রাঙামাটি
ঘাট থেকে বাতাবিলেবু কিনে ট্রলার বোঝাই করে রেখেছেন এক পাইকার। ট্রাক টার্মিনাল ঘাট, রাঙামাটি

দূর-দূরান্তে পাঠাতে ট্রাকে তোলা হচ্ছে বাতাবিলেবু। ট্রাক টার্মিনাল ঘাট, রাঙামাটি
দূর-দূরান্তে পাঠাতে ট্রাকে তোলা হচ্ছে বাতাবিলেবু। ট্রাক টার্মিনাল ঘাট, রাঙামাটি

ট্রাকে ওঠাতে ঘাট থেকে বাতাবিলেবু নিয়ে যাচ্ছেন এক শ্রমিক। ট্রাক টার্মিনাল ঘাট, রাঙামাটি
ট্রাকে ওঠাতে ঘাট থেকে বাতাবিলেবু নিয়ে যাচ্ছেন এক শ্রমিক। ট্রাক টার্মিনাল ঘাট, রাঙামাটি

বাতাবিলেবুভর্তি নৌকা ভিড়িয়েছেন কয়েকজন বাগানি। ট্রাক টার্মিনাল ঘাট, রাঙামাটি
বাতাবিলেবুভর্তি নৌকা ভিড়িয়েছেন কয়েকজন বাগানি। ট্রাক টার্মিনাল ঘাট, রাঙামাটি

বাগানের গাছে ঝুলছে থোকা থোকা বাতাবিলেবু। সোনা রাম কার্বারিপাড়া, রাঙামাটি সদর, রাঙামাটি
বাগানের গাছে ঝুলছে থোকা থোকা বাতাবিলেবু। সোনা রাম কার্বারিপাড়া, রাঙামাটি সদর,
গ্রামের হাটে বাতাবিলেবু স্তূপ করে রেখেছেন বাগানিরা। ঘিলাছড়ি, নানিয়ারচর, রাঙামাটি
গ্রামের হাটে বাতাবিলেবু স্তূপ করে রেখেছেন বাগানিরা। ঘিলাছড়ি, নানিয়ারচর, রাঙামাটি
ট্রাকভর্তি বাতাবিলেবু নিয়ে যাচ্ছেন পাইকারেরা। ঘিলাছড়ি, নানিয়ারচর, রাঙামাটি
ট্রাকভর্তি বাতাবিলেবু নিয়ে যাচ্ছেন পাইকারেরা। ঘিলাছড়ি, নানিয়ারচর, রাঙামাটি